My high school is so beautiful Pal Chowdhury Vidyapeeth in Dakshin Para
AUG 11, 2022
রাখী পূর্ণিমা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে School ছুটি নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান।
পশ্চিমবঙ্গের একাডেমিক ক্যালেন্ডারের ছুটির লিস্টে রাখী পূর্ণিমার ছুটি School এ ১২ই আগষ্ট দেওয়া হয়। কিন্তু পরে দেখা যায় ১১ তারিখ রাখী পূর্ণিমা। তাই স্কুল ছুটি নিয়ে আবার নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আর তার পর কয়েটি বিভ্রান্তি এবং প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর থেকে ১১ই আগস্ট একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল। বিজ্ঞপ্তি নম্বর- 1186(48)/BPE/2022 যেখানে বলা হয়, ‘রাখী পূর্ণিমা’ উপলক্ষ্যে রাজ্যের School ১২ তারিখের পরিবর্তে ১১ তারিখে বন্ধ থাকবে। কিন্তু ১১ তারিখ ইতিমধ্যেই ছুটির দিন ছিল। এবং শহীদ দিবস উপলখ্যে পালনীয় ছিল। তাই এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ছুটি নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
শিক্ষকদের প্রশ্ন, তবে কি ১১ তারিখ পালনীয় হবে না? ১২ তারিখে কি স্কুলে যেতে হবে? এর পর মিড ডে মিল School Section থেকে বলা হয়, ১২ই আগষ্ট মিড ডে মিল চালু থাকবে। MDM অ্যাপ এর ছুটির লিস্ট সংশোধন করা হচ্ছে। শিক্ষকেরা Attendance দিতে পারবেন।
আর এরপরই কার্যত সমস্ত বিভ্রান্তি দূর হয়, অর্থাৎ ১২ই আগষ্ট সাধারন কর্মদিবসের মতই School চলবে, মিড ডে মিলও চলবে। কোনও শিক্ষক না এলে ছুটি ধরা হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১২ই আগস্ট, ২০২২ তারিখে তথা শুক্রবার ছিল রাখী উৎসবের ছুটি। যেহেতু ছুটি দেওয়া হল ১১ই আগস্ট, তাই ১২ তারিখের School ছুটি বাতিল হয়ে গেল। ফলে লিস্টেড ছুটির ৬৫ দিন থেকে বাদ চলে গেলো একটি দিন। যদিও এই একটি ছুটি বাতিল হওয়ায় শিক্ষকেরা খারাপ কিছু দেখছেন না। তাদের মতে অনেক দিন ক্লাস হয়নি, তাই একটি ছুটি না পেলে কিছুই হবে না।
অন্যদিকে ডিএ নিয়ে গুরুত্ব পূর্ণ খবর সামনে এসেছে। কয়েকটি কিস্তিতে ডিএ এর বকেয়া টাকা পেতে পারেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারী কর্মী ও শিক্ষকেরা। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
Categories Select Category All Govt Employees Business Idea Daily News Deal Economy Education Career FILMY Govt Scheme Govt Service Rules Health Job Exam lifestyle Local News Madhyamik HS Exam National News Pension Portal Salary Calculation School Teacher Sports Tech Telecom News Uncategorized World News
সকলের আশীর্বাদে এক পা দু’পা করে আমাদের মাসিক পাঠক সংখ্যা ৩৫ লক্ষ ছাড়ালো। EK24 News শুধুমাত্র একটি সংবাদপত্রই নয়। আমরা দায়বদ্ধ শুধুমাত্র পাঠক আর সেই সমস্ত বঞ্চিত মানুষদের কাছে, ব্রেকিং নিউজের নিচে চাপা পড়ে যায় যাদের কথা। যারা কাজের খোঁজে ব্যাস্ত শহরে হন্যে হয়ে খুজে ফেরে, কিম্বা ন্যায্য বেতন পায়না, কিম্বা চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে চাতক পাখির মতো রেজাল্টের আশায় বসে থাকে। প্রতিদিনের খবরের সাথে শিক্ষা, চাকরি, কাজের খবর বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে পরিবেশন করা এবং অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য নিয়ে থাকবে আমাদের বিশেষ প্রতিবেদন।
dakshin para Radha sundari Pal Chaudhari Vidyapeeth
[8/2, 11:57] +91 97116 26606: Thank you for contacting Trending Collections! Please let us know how we can help you. [8/2, 11:58] +91 97116 26606: If you want to order, you can place the order on the above given link. If there is any query? You ask below.🙂Woohoo! I am enjoying shopping on ShopClues. You can too! Download the app by clicking http://sclu.es/R2YZX & shop with FREE Rs. 700 Cluesbucks+. Use your gift before it expiresMy friendVector design of 15th August Happy Independence Day of India, with stylish text, Ashoka Wheel and Indian Flag for the celebration of India Freedom DayDownload and use 30000+ Scenery stock photos for free. ✓ Thousands of new images every day ✓ Completely Free to Use ✓ High-quality videos and images from …
Download and use 30000+ Scenery stock photos for free. ✓ Thousands of new images every day ✓ Completely Free to Use ✓ High-quality videos and images from …
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারী কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) আর মাত্র ৭ দিনের মধ্যে দিতে হবে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যা আভাষ পাওয়া যাচ্ছে, উচ্চ আদালতে না ও যেতে পারে রাজ্য সরকার। আর এরই মধ্যে এক কিস্তি ডিএ ঘোষণা করে সময় চাইতে পারে।
বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানোর প্রসঙ্গে হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা প্রায় শেষ হতে চলেছে। এখন বিভিন্ন সংবাদপত্রে বা নিউজ পোর্টালে অনেক খবর দেখে অনেকেই কনফিউসড। আসলে কি তথ্য ছিল সে বিষয়ে বা সামগ্রিক বিষয়টা একটু আলোচনা করে নেওয়া যাক।
মহামান্য হাইকোর্ট সবশেষে যে রায় দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী গত ২০/০৫/২০২২ হিসেবে সেদিন বলা হয়েছিল যে, স্যাট গত ২৬/০৭/২০১৯ তারিখে যে রায় দিয়েছিল সেই রায়কেই মান্যতা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এছাড়াও বলা হয় যে, রায়দানের পরবর্তী ৩ মাস সময়কাল অর্থাৎ ২০/০৮/২০২২ এর মধ্যে কার্যকর (Dearness Allowance) করতে হবে। অর্থাৎ, আর বাকি রয়েছে মাত্র ৮ দিন।
এইবার যেই বিষয়টা সামনে আসছে তা হল রাজ্য সরকারের এখন হাতে কী কী পথ খোলা রয়েছে? প্রথম কথা হল রাজ্য সরকার সুপ্রীম কোর্টে যেতে পারে যখন তখন। এখনও পর্যন্ত আমরা যেটা জানা গেছে যে, মামলাকারী সংগঠন ইউনিটি ফোরাম, তথা কনফেডারেশন অফ স্টেট গভমেন্ট এমপ্লইজ এবং সরকারি কর্মচারী পরিষদ- যারা আগেভাগেই সুপ্রীম কোর্টে কেভিয়েট দাখিল করে রেখেছে। সুতরাং রাজ্য সরকার যদি সুপ্রীম কোর্টে যায়ও তাহলে এক পেশে রায় হবে না।
এবার অন্য বিষয়ে দেখলে দেখা যায়, যদি রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর পথেই যায়, তাহলে কি হতে পারে? এক্ষেত্রে দেখা যায়, ২৬শে জুলাই, ২০১৯ যে রায় দিয়েছিল, সেখানে খুব স্পষ্ট করেই বলা আছে যে, তারা যে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল তার মধ্যেই রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু তারা কী কী উপায়ে সেই পেমেন্ট করবে, তার স্বাধীনতা রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছিল মহামান্য আদালতের তরফ থেকে।
কিভাবে তারা বকেয়া ডিএ দেবে এবং কত দেবে তার সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারবে। এই জায়গায় রাজ্য সরকারের কাছে একটা অপশন রয়েছে যে তারা এই বকেয়া পেমেন্ট কী কী উপায়ে করতে পারবে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যে, তারা কয়েকটি কিস্তিতে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দিতে পারে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজ্য সুপ্রীম কোর্টে না গিয়ে এই রাস্তায় হাটতে পারে।
এছাড়াও তারা কয়েকটা কিস্তিতে সরাসরি প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করে দিতে পারে। আগেও এই রকম নিদর্শন দেখা গেছে। পাশাপাশি পেনশনারদের ক্ষেত্রে কি পদ্ধতি নেবে সে বিষয়েও তাদেরকে ভেবে নিতে হবে। কারণ তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Dearness Allowance) একাউন্ট থাকে না।
এছাড়াও আরও একটি রাস্তা অবশ্যই খোলা রয়েছে, যদি রাজ্য সরকার ওপরের কোনও পথেই না যায়, সেক্ষেত্রে কিন্তু মামলাকারীরা ‘কন্টেম্পট অফ কোর্ট’ অর্থাৎ আদালত অবমাননার মামলা করবে যেমনটা স্যাট এর রায় অবমাননার সময়ে করা হয়েছিল। আর এই রাস্তায় হাটলে ঘুরে ফিরে একি জায়গায় ফিরে আসবে, অর্থাৎ শুধু সময় অতিবাহিত হবে, কিন্তু রায় একই হবে।
তবে নব্বান্ন সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার কিন্তু ইতিমধ্যেই একটা আইনি পরামর্শ করছে যে কি করলে তার ফল কি হতে পারে? এটাই হল আইনি পরামর্শের মূল বিষয়বস্তু। যদি সিদ্ধান্ত না মানা হয়, সেক্ষেত্রে কী হবে? যদি সুপ্রীম কোর্টে যাওয়া হয়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কর্মীদের দেওয়া রায় থেকে সিধান্ত স্পষ্ট। এই রায় নিশ্চয়ই রাজ্য সরকারের জানা আছে। কিছুটা সময় নষ্ট করা ছাড়া বিশেষ কিছু একটা হবে (Dearness Allowance) বলে মনে হয় না।
পাশাপাশি বকেয়া (Dearness Allowance) মেটাতে কতটা টাকা লাগবে, তা যদি একাউন্টে দেওয়া হয় তাতে কত পরিমাণে অর্থ লাগতে পারে, এই সকল বিষয়ই আলোচনার বিষয়বস্তু। কারণ হাতে সময় মাত্র ৮ দিন বাকি। এর মধ্যে কিন্তু কিছু একটা সিদ্ধান্ত (Dearness Allowance) নিতেই হবে। নাহলে আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হবে।
কোন পদ্ধতিতে বকেয়া মেটাবে সেই স্বাধীনতা কিন্তু ২৬শে জুলাই, ২০১৯ এর রায়ে বলে দিয়েছিল যে রায়কেই কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট গত ২০.০৫.২০২২ মান্যতা দিতে বলেছে। সুতরাং আমাদের পেজটিতে মাঝে মধ্যেই খোঁজ খবর রাখতে থাকুন। আপডেট পাবার সাথে সাথেই নতুন নতুন খবরগুলি আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ। Written by Mukta Barai.
3 thoughts on “Dearness Allowance – রাজ্য সরকারী কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে সুখবর, সুপ্রীম কোর্টে যাচ্ছে না, আগামী সপ্তাহেই ডিএ ঘোষণা!”
করুন কুমার মিত্র says:কর্মচারী সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যম এটা ভুলে গেলে চলবে না।REPLY
Pallab Kumar ghoshal says:I am Pallab Kumar ghoshal. A pension holder of Bengal govt please send your report with us.without D.A our situation is fully uncontrolled. High market prices. please think for us with real good news.REPLY
Pallab Kumar ghoshal says:I am Pallab Kumar ghoshal. A pension holder of Bengal govt please send your report with us.without D.A our situation is fully uncontrolled. High market prices. please think for us with real good news.REPLY
Leave a Reply
Your email address will not be published. Required fields are marked *
Comment *
Name *
Email *
Website
Save my name, email, and website in this browser for the next time I comment.
Categories Select Category All Govt Employees Business Idea Daily News Deal Economy Education Career FILMY Govt Scheme Govt Service Rules Health Job Exam lifestyle Local News Madhyamik HS Exam National News Pension Portal Salary Calculation School Teacher Sports Tech Telecom News Uncategorized World News
সকলের আশীর্বাদে এক পা দু’পা করে আমাদের মাসিক পাঠক সংখ্যা ৩৫ লক্ষ ছাড়ালো। EK24 News শুধুমাত্র একটি সংবাদপত্রই নয়। আমরা দায়বদ্ধ শুধুমাত্র পাঠক আর সেই সমস্ত বঞ্চিত মানুষদের কাছে, ব্রেকিং নিউজের নিচে চাপা পড়ে যায় যাদের কথা। যারা কাজের খোঁজে ব্যাস্ত শহরে হন্যে হয়ে খুজে ফেরে, কিম্বা ন্যায্য বেতন পায়না, কিম্বা চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে চাতক পাখির মতো রেজাল্টের আশায় বসে থাকে। প্রতিদিনের খবরের সাথে শিক্ষা, চাকরি, কাজের খবর বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে পরিবেশন করা এবং অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য নিয়ে থাকবে আমাদের বিশেষ প্রতিবেদন।
Dearness Allowance) আর মাত্র ৭ দিনের মধ্যে দিতে হবে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যা আভাষ পাওয়া যাচ্ছে, উচ্চ আদালতে না ও যেতে পারে রাজ্য সরকার। আর এরই মধ্যে এক কিস্তি ডিএ ঘোষণা করে সময় চাইতে পারে।
বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানোর প্রসঙ্গে হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা প্রায় শেষ হতে চলেছে। এখন বিভিন্ন সংবাদপত্রে বা নিউজ পোর্টালে অনেক খবর দেখে অনেকেই কনফিউসড। আসলে কি তথ্য ছিল সে বিষয়ে বা সামগ্রিক বিষয়টা একটু আলোচনা করে নেওয়া যাক।
মহামান্য হাইকোর্ট সবশেষে যে রায় দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী গত ২০/০৫/২০২২ হিসেবে সেদিন বলা হয়েছিল যে, স্যাট গত ২৬/০৭/২০১৯ তারিখে যে রায় দিয়েছিল সেই রায়কেই মান্যতা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এছাড়াও বলা হয় যে, রায়দানের পরবর্তী ৩ মাস সময়কাল অর্থাৎ ২০/০৮/২০২২ এর মধ্যে কার্যকর (Dearness Allowance) করতে হবে। অর্থাৎ, আর বাকি রয়েছে মাত্র ৮ দিন।
এইবার যেই বিষয়টা সামনে আসছে তা হল রাজ্য সরকারের এখন হাতে কী কী পথ খোলা রয়েছে? প্রথম কথা হল রাজ্য সরকার সুপ্রীম কোর্টে যেতে পারে যখন তখন। এখনও পর্যন্ত আমরা যেটা জানা গেছে যে, মামলাকারী সংগঠন ইউনিটি ফোরাম, তথা কনফেডারেশন অফ স্টেট গভমেন্ট এমপ্লইজ এবং সরকারি কর্মচারী পরিষদ- যারা আগেভাগেই সুপ্রীম কোর্টে কেভিয়েট দাখিল করে রেখেছে। সুতরাং রাজ্য সরকার যদি সুপ্রীম কোর্টে যায়ও তাহলে এক পেশে রায় হবে না।
.in&dtd=30
এবার অন্য বিষয়ে দেখলে দেখা যায়, যদি রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর পথেই যায়, তাহলে কি হতে পারে? এক্ষেত্রে দেখা যায়, ২৬শে জুলাই, ২০১৯ যে রায় দিয়েছিল, সেখানে খুব স্পষ্ট করেই বলা আছে যে, তারা যে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল তার মধ্যেই রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু তারা কী কী উপায়ে সেই পেমেন্ট করবে, তার স্বাধীনতা রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছিল মহামান্য আদালতের তরফ থেকে।
কিভাবে তারা বকেয়া ডিএ দেবে এবং কত দেবে তার সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারবে। এই জায়গায় রাজ্য সরকারের কাছে একটা অপশন রয়েছে যে তারা এই বকেয়া পেমেন্ট কী কী উপায়ে করতে পারবে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যে, তারা কয়েকটি কিস্তিতে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দিতে পারে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজ্য সুপ্রীম কোর্টে না গিয়ে এই রাস্তায় হাটতে পারে।
এছাড়াও তারা কয়েকটা কিস্তিতে সরাসরি প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করে দিতে পারে। আগেও এই রকম নিদর্শন দেখা গেছে। পাশাপাশি পেনশনারদের ক্ষেত্রে কি পদ্ধতি নেবে সে বিষয়েও তাদেরকে ভেবে নিতে হবে। কারণ তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Dearness Allowance) একাউন্ট থাকে না।
এছাড়াও আরও একটি রাস্তা অবশ্যই খোলা রয়েছে, যদি রাজ্য সরকার ওপরের কোনও পথেই না যায়, সেক্ষেত্রে কিন্তু মামলাকারীরা ‘কন্টেম্পট অফ কোর্ট’ অর্থাৎ আদালত অবমাননার মামলা করবে যেমনটা স্যাট এর রায় অবমাননার সময়ে করা হয়েছিল। আর এই রাস্তায় হাটলে ঘুরে ফিরে একি জায়গায় ফিরে আসবে, অর্থাৎ শুধু সময় অতিবাহিত হবে, কিন্তু রায় একই হবে।
তবে নব্বান্ন সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার কিন্তু ইতিমধ্যেই একটা আইনি পরামর্শ করছে যে কি করলে তার ফল কি হতে পারে? এটাই হল আইনি পরামর্শের মূল বিষয়বস্তু। যদি সিদ্ধান্ত না মানা হয়, সেক্ষেত্রে কী হবে? যদি সুপ্রীম কোর্টে যাওয়া হয়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কর্মীদের দেওয়া রায় থেকে সিধান্ত স্পষ্ট। এই রায় নিশ্চয়ই রাজ্য সরকারের জানা আছে। কিছুটা সময় নষ্ট করা ছাড়া বিশেষ কিছু একটা হবে (Dearness Allowance) বলে মনে হয় না।
পাশাপাশি বকেয়া (Dearness Allowance) মেটাতে কতটা টাকা লাগবে, তা যদি একাউন্টে দেওয়া হয় তাতে কত পরিমাণে অর্থ লাগতে পারে, এই সকল বিষয়ই আলোচনার বিষয়বস্তু। কারণ হাতে সময় মাত্র ৮ দিন বাকি। এর মধ্যে কিন্তু কিছু একটা সিদ্ধান্ত (Dearness Allowance) নিতেই হবে। নাহলে আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হবে।
কোন পদ্ধতিতে বকেয়া মেটাবে সেই স্বাধীনতা কিন্তু ২৬শে জুলাই, ২০১৯ এর রায়ে বলে দিয়েছিল যে রায়কেই কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট গত ২০.০৫.২০২২ মান্যতা দিতে বলেছে। সুতরাং আমাদের পেজটিতে মাঝে মধ্যেই খোঁজ খবর রাখতে থাকুন। আপডেট পাবার সাথে সাথেই নতুন নতুন খবরগুলি আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ। Written by Mukta Barai.