নয়াদিল্লী:- কথায় বলে কর্তার ইচ্ছাই কর্ম। যে কোনও গৃহস্থ বাড়ির প্রচলিত রেওয়াজ এটাই। কিন্তু এবার বুঝি সেই প্রচলিত রিতীর অবসান হতে চলেছে। কারণ টা অবশ্য স্পষ্ট। তার কারণ টাকা যার ক্ষমতা তার। তবে এবার স্বচ্ছল ভাবে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলে-মেয়েদের পড়া শোনা কিংবা বৃদ্ধ বয়ে

এ বিষয়ে সরকারি রিপোর্ট বলছে কেন্দ্র সরকারের তরফে বেশ কয়েক বছর আগেই শিশু কন্যাদের জন্য চালু করা হয়েছে জনমুখি সুকন্যা প্রকল্প। তবে এই প্রকল্পের আওতায় মেয়াদ শেষে সুদ সমেত এককালীন মোটা টাকা পাওয়া গেলেও মিলবে না কোনও পেনশন। তবে পেনশনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই চালু রয়েছে প্রধান মন্ত্রী পেনশন যোজনার মতো স্কিম। কিন্তু এই প্রল্পপের ক্ষেত্রে জমানো টাকার ওপর পেনশন পাওয়া গেলেও  মিলবে না এককালীন টাকা। 

তবে মহিলদের জন্য যে পেনশন প্রকল্প চালু করা হয়েছে তাতে পেনশনের পাশাপাশি মিলবে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা। এক্ষেত্রে ওই মহিলাকে তার ৬০ বছর পর্যন্ত প্রতিমাসে টাকা জমাতে হবে। জমানো টাকার ওপর সরকার ওই মহিলাকে বার্ষিক ১২ থেকে ১৪ শতাংশ হারে সুদ দেবে। আমানতকারী ওই মহিলার ৬০ বছর হলেই তিনি প্রতিমাসে নিয়ম করে পাবেন পেনশন। পাশাপাশি ওই মহিলা তার মোট টাকার ২৫ শতাংশ টাকা এককালীন হিসাবে পাবেন তৎক্ষণাৎ।

তবে বিষয় টি আরও ভালো ভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন । আরও ভালো করে বিষয়টি জেনে নিতে নিচে দেওয়া উদাহরণ টি দেখে নিন চটপট। 

ধরা যাক একজন মহিলার বর্তমান বয়স ৩০ বছর প্রতিমাসে তার জমাকৃত টাকার পরিমাণ ৫ হাজার ৬০ বছর পর বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে ওই মহিলার মোট টাকার পরিমাণ হবে ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ৬০ বছর বয়সে ওই মহিলা হাতে নগদ পাবেন মোট টাকার ২৫ শতাংশ সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাবদ প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা কিন্তু এখানেই শেষ নয় । পাশাপাশি ৬০ বছর বয়স থেকেই ওই মহিলা প্রতিমাসে পেনশন পাবেন প্রতিমাসে ৪৫ হাজার টাকা। তাহলে হল কিনা ডাবল বেনিফিট। 

নয়াদিল্লী:- কথায় বলে কর্তার ইচ্ছাই কর্ম। যে কোনও গৃহস্থ বাড়ির প্রচলিত রেওয়াজ এটাই। কিন্তু এবার বুঝি সেই প্রচলিত রিতীর অবসান হতে চলেছে। কারণ টা অবশ্য স্পষ্ট। তার কারণ টাকা যার ক্ষমতা তার। তবে এবার স্বচ্ছল ভাবে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলে-মেয়েদের পড়া শোনা কিংবা বৃদ্ধ বয়েসে স্বামীর রোজগারের ওপর ভরসা করতে হবেনা যেকোনো মহিলাকে। আসলে গোটা দেশের মোট  জনসংখ্যার মধ্যে বেশির ভাগ মহিলারাই স্বামীর ঘরে রোজগারহীন অবস্থায় থাকেন। ফলে স্বামী চাকরিজীবি হন কিংবা ব্যবসাদার টাকার প্রয়োজনে স্বামীর ওপরেই নির্ভর করতে হয় স্ত্রীকে। তাই এবার গোটা দেশের মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নতির দিকে খেয়াল রেখে চালু করা হয়েছে মহিলাদের জন্য আকর্ষণীয় পেনশন প্রকল্প।

এ বিষয়ে সরকারি রিপোর্ট বলছে কেন্দ্র সরকারের তরফে বেশ কয়েক বছর আগেই শিশু কন্যাদের জন্য চালু করা হয়েছে জনমুখি সুকন্যা প্রকল্প। তবে এই প্রকল্পের আওতায় মেয়াদ শেষে সুদ সমেত এককালীন মোটা টাকা পাওয়া গেলেও মিলবে না কোনও পেনশন। তবে পেনশনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই চালু রয়েছে প্রধান মন্ত্রী পেনশন যোজনার মতো স্কিম। কিন্তু এই প্রল্পপের ক্ষেত্রে জমানো টাকার ওপর পেনশন পাওয়া গেলেও  মিলবে না এককালীন টাকা। 

তবে মহিলদের জন্য যে পেনশন প্রকল্প চালু করা হয়েছে তাতে পেনশনের পাশাপাশি মিলবে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা। এক্ষেত্রে ওই মহিলাকে তার ৬০ বছর পর্যন্ত প্রতিমাসে টাকা জমাতে হবে। জমানো টাকার ওপর সরকার ওই মহিলাকে বার্ষিক ১২ থেকে ১৪ শতাংশ হারে সুদ দেবে। আমানতকারী ওই মহিলার ৬০ বছর হলেই তিনি প্রতিমাসে নিয়ম করে পাবেন পেনশন। পাশাপাশি ওই মহিলা তার মোট টাকার ২৫ শতাংশ টাকা এককালীন হিসাবে পাবেন তৎক্ষণাৎ।

তবে বিষয় টি আরও ভালো ভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন । আরও ভালো করে বিষয়টি জেনে নিতে নিচে দেওয়া উদাহরণ টি দেখে নিন চটপট। 

ধরা যাক একজন মহিলার বর্তমান বয়স ৩০ বছর প্রতিমাসে তার জমাকৃত টাকার পরিমাণ ৫ হাজার ৬০ বছর পর বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে ওই মহিলার মোট টাকার পরিমাণ হবে ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ৬০ বছর বয়সে ওই মহিলা হাতে নগদ পাবেন মোট টাকার ২৫ শতাংশ সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাবদ প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা কিন্তু এখানেই শেষ নয় । পাশাপাশি ৬০ বছর বয়স থেকেই ওই মহিলা প্রতিমাসে পেনশন পাবেন প্রতিমাসে ৪৫ হাজার টাকা। তাহলে হল কিনা ডাবল বেনিফিট। 

Leave a comment